Saturday 21 November 2020

১৪,৩৩৯ এর সঙ্গে ৫,০০১টি শূন্যপদ যোগ করে রেশিও মেনে শিক্ষক নিয়োগের দাবি চাকরি প্রার্থীদের

<p> 

১৪,৩৩৯ এর সঙ্গে ৫,০০১টি শূন্যপদ যোগ করে রেশিও মেনে শিক্ষক নিয়োগের দাবি চাকরি প্রার্থীদের


উচ্চ প্রাথমিকে দীর্ঘদিন নিয়োগ নেই। ফলে রাজ্যের স্কুলগুলিতে উচ্চ প্রাথমিক স্তরে প্রচুর শূন্যপদ পড়ে আছে। দীর্ঘ আইনি জটিলতায় থমকে আছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। তবে কলকাতা হাইকোর্টে দায়েরকৃত মামলার শুনানি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এবার রায়দানের পালা।



এই অবস্থায় দ্রুত রায়দান এবং আপডেট ভ্যাক্যান্সিতে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানাচ্ছেন চাকরি প্রার্থীরা। দীর্ঘদিন ধরে ১৯,৩৪০ শিক্ষক পদে নিয়োগ আটকে আইনি জটিলতায় আটকে আছে। এসএসসি আবেদনে যে তথ্যগুলি সামনে এসেছে তা এইরকম,শূন্যপদ ছিল ১৪,৩৩৯ যা আরও বেড়েছে ৫,০০১টি। সর্বমোট ১৯৩৪০ শূন্যপদ এখন উচ্চ প্রাথমিকে। ২০১৫ সাল থেকে কোনও নিয়োগ হয়নি উচ্চ প্রাথমিকে। ২০১২-১৩ মরসুমের অনেক নিয়োগ বাকি।

চাকরি প্রার্থীদের বক্তব্য, দীর্ঘ সাত বছর ধরে ঝুলে রয়েছে উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়া। সাত সাতটি বছর ধরে অপেক্ষা করে আমরা মৃতপ্রায়। তাই আর দেরি না করে আগামী ২৫ শে নভেম্বরের মধ্যে কলকাতা হাইকোর্ট শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সদর্থক রায়দান সম্পন্ন করুক। নাহলে আমাদের পরবর্তী তে হাইকোর্টের সামনেই ধর্ণায় বসতে হবে।

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে চলছে দীর্ঘ জটিলতা। নিয়োগ নিয়ে সামনে এসেছে একের পর এক অভিযোগ। আদালতে মামলাও হয়েছে একাধিক মামলা। এবার হয়তো সমস্ত জটিলতা কাটতে চলেছে। দীর্ঘ শুনানির পর চলতি মাসেই উচ্চ প্রাথমিক মামলার রায় দিতে পারে কলকাতা হাইকোর্ট।
২০১৪ সালে উচ্চ প্রাথীমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। সেই অনুসারে ২০১৫ সালে টেট পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরের বছর প্রকাশিত হয়েছিল সেই পরীক্ষার ফল। অনেক বিতর্কের পরে ২০১৯ সালে ভেরিফিকেশন ও ইন্টারভিউ প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে প্রভিশোনাল মেরিট লিস্ট প্রকাশিত হয়। কিন্তু সেখানে অনিয়মের একাধিক অভিযোগ ওঠে। হয় একধিক মামলা। মামলাগুলির শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। বাকি শুধুমাত্র রায় ঘোষণার।

No comments:

Post a Comment